গার্লফ্রেন্ড,বান্ধবিকে হারাতে না চাইলে এই ৪টি কথা স্বরণ রাখবেন

 

গার্লফ্রেন্ড,বান্ধবিকে হারাতে না চাইলে এই ৪টি কথা স্বরণ রাখবেন 

হাই বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই? বন্ধুরা আজকে আমরা কথা বলবো এমন চারটি বিষয় নিয়ে যে বিষয়গুলো আপনি মাথায় রাখলে আপনার গার্লফ্রেন্ড আপনাকে কখনো ছেড়ে যাবেনা। অথবা যেকোন মেয়ে আপনার সাথে বন্ধুত্ব করলে সে আপনাকে কখনোই ছেড়ে যাবে না। বন্ধুরা সত্যি কারের ভালোবাসা এখন পাওয়াটা খুবই মুশকিল। কিছু কিছু দুই নাম্বার ছেলেদের কারণে মেয়েরা সব ছেলেদের ভুল বুঝতেছে। অনেক ভালো ছেলেদের ভালোবাসাকেউ তারা অবহেলা করছে। এ জন্য আপনার গার্লফ্রেন্ড অথবা আপনার বান্ধবী যেন আপনার ভালোবাসাকে বুঝতে পারে আপনাকে যেন ছেড়ে না যায়। এ জন্য এই ৪টি কাজ কখনোই করবেন না। খুব ভালো করে মাথায় রাখবেন। আর সেগুলোর ব্যাপারে ভালো করে জানতে হলে আলোচনাটির শেষ পর্যন্ত পড়ুন। আশা করা যায় আপনার যথাযথ কাজে আসবে। মূল কথা শুরু করবো তবে তার আগে আপনাদের একটা অনুরোধ করবো যে প্লিজ যদি আলোচনাটি ভালো লাগে তাহলে শেয়ার কমেন্ট করে তারপর যাবেন। 

১। এক্স গার্লফ্রেন্ড এর উপর সব দোষ চাপিয়ে দেওয়া। বন্ধুরা যেহেতু আপনি আপনার গার্লফ্রেন্ডকে সত্যিই ভালোবাসেন তার সাথে সারা জীবন কাটাতে চান। এজন্য তো আপনি তাকে মিথ্যা বলবেন না যে আপনি এর আগে কখনো রিলেশনে জড়াননি? আর আমাদের মানে ছেলেদের তো গার্লফ্রেন্ডের অভাব হয় না। অবশ্যই বলেছেন যে এর আগে অন্য একটা মেয়ের সাথে রিলেশনে ছিলাম। তো সে ক্ষেত্রে আপনার সেই রিলেশনটা নষ্ট হওয়ার পেছনে শুধু মেয়েটিরই হাত ছিলো বা সব দোষ মেয়েটিরই ছিলো এমন কখনোই বলবেন না। যখন আপনি সব দোষ মেয়েটির ঘাড়ে দিবেন তখন সে ভাববে যে যদি কখনো আপনি তাকে ছেড়ে যান তখনও আপনি অন্য মেয়ের কাছে তার নামে বদনাম করবেন। এজন্য কিছু কিছু দোষ নিজের ঘাড়ে নিবেন। যেমন হয়তো বলবেন যে সে সময় আসলে ভালোবাসা বুঝতাম না। তুমি লাইফে আসার পর বুঝতে পেরেছি যে সত্যি কারের ভালোবাসা কি। এমন কিছু কিছু দোষ নিজের ঘাড়ে নিবেন। এতে করে মেয়ে আপনাকে সম্মান করবে এবং আপনার প্রতি তার ভালোবাসা বেড়ে যাবে। 

২। শারীরিক সম্পর্কে বেশি আগ্রহী দেখানো। বন্ধুরা মার্কেটে গিয়ে যখন কোন জিনিস কেনার প্রতি আগ্রহ বেশি দেখান তখন খেয়াল করবেন যে দোকানদার সেই জিনিসটার দাম বাড়িয়ে দেয়। ঠিক তেমনটি ভালোবাসার ক্ষেত্রেও। যখন আপনি শারীরিক সম্পর্কে প্রতি বেশি আগ্রহ দেখাবেন মানে সুযোগ পেলেই খালি কোন জায়গায় তাকে ডাকা। সব সময় নির্জন জায়গায় দেখা করতে বলা। তখন সে আপনার থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করবে এবং আপনাকে ভুল বুঝবে। মেয়েটি আপনাকে খারাপ নজরে দেখবে এবং আপনাদের সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা ৯৫%। এজন্য যখন দেখা করবেন তখন স্বাভাবিক ভাবে লোকালয়ে লোকাল জায়গায় দেখা করবেন। তারপর আপনার অবস্থা দেখে মেয়েটি নিজেই আপনাকে দেখা করতে বলবে। এমনিতেই তার ভিতরে আপনার প্রতি আলাদা একটা চাহিদার জন্ম হবে। তখন সে নিজের থেকে আপনাকে ডাকবে। আপনি যে তাকে সত্যিকারে ভালোবাসনে তার অন্য কোন কিছুর প্রতি আপনার কোন লোভ নেই। এটা বোঝানোর একমাত্র এটাই রাস্তা যে আপনাকে শারীরিক চাহিদার প্রতি আগ্রহী হওয়া যাবে না। 

৩। আচরণে পরিবর্তন হওয়া। বন্ধুরা যখন কোন সম্পর্ক শুরু হয় তখন কিন্তু আমাদের অনেক চাহিদা থাকে। তার সাথে বেশি দেখা করার বেশি কথা বলার। তার ফোনের জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা ওয়েট করা ইত্যাদি। আমাদের সম্পর্কের শুরুর আচরণগুলো কিন্তু এমনই হয়। তো হুট করে আপনার আচরণে যেন পরিবর্তন না হয়। যেমন ধরুন: আগে রাতে ১০ বার কল দিতেন। অথচ এখন দুদিনেও আপনার কোন খবরই নেই। আবার আগে ঘন্টার পর ঘন্টা গল্প করতেন আর এখন হুট করেই কয়েক দিন আপনার কোন কথাই নেই। এগুলো হলো দায়িত্বহীন ছেলেদের কাজ। যখন আপনি এমন হঠাৎ চেঞ্জ আপনার ভেতরে আনবেন তখন মেয়ে আপনাকে দায়িত্বহীন ভাববে মনে কবরে যে আপনি হয়তো পল্টি খাওয়ার চেষ্টা করছেন। আর আপনি যেন তাকে ঠকাতে না পারেন। তাই তার আগে মেয়েই আপনাকে ঠকিয়ে চলে যায়। এজন্য হুট করে আচরণিক পরিবর্তন আনবেন না যেটা করছেন শুরু থেকে সেটাই করবেন। অথবা যদি কোন প্রবলেম হয় তাহলে সেটা তাকে যানান? দেখবেন ঠিকি বুঝেছে। 

৪। লুকোচুরি করা। বন্ধুরা ভালোবাসার সম্পর্কটা কিন্তু বিশ্বাসের উপর ডিপেন্ডবল মানে নির্ভর। আপনাকে যদি মেয়ে বিশ্বাস করতে না পারে তাহলে আপনার সাথে সে কখনোই থাকবে না। আর তাই আপনাকে কোন ধরনের লুকোচুরি করা যাবে না। যেমন ধরুন: ভালো হোক বা খারাপ সে খুশি হোক বা রাগ যে কোন কথা তার সাথে শেয়ার করুন লুকোচুরি করবেন না। পার্কে হাত ধরে হাঁটতেছেন আর যখন আপনার বন্ধুরা সামনে এলো আপনি তার হাত ছেড়ে দিয়ে দূরে গিয়ে দাঁড়ালেন। ফেসবুকে তার ছবি সে আপনার সাথে ট্যাগ করেছে আর আপনি কোন কারণ ছাড়ায় সেটাকে আনট্যাগ করলেন এমন লুকোচুরি কখনোই করবেন না। যখন আপনি তার সাথে এমন লুকোচুরি করবেন। তখন সে আপনাকে সন্দেহ করবে এবং আপনাদের ভালোবাসার মধ্যে একটা ফাটল তৈরি হবে। এজন্য কখনো কোনো কথা বা কাজের লোকাচুরি করবেন না। একদম স্ট্রেটলি বলবেন সব কিছু দেখবেন মেয় কখনো আপনাকে ছাড়তে চাইবেনা। তো বন্ধুরা এই ছিলো আমাদের আজকের আলোচনা। পরবর্তী আলোচনাতে আবার কথা হবে সে পর্যন্ত ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন নিজের খেয়াল রাখবেন এবং বিনাপানির সঙ্গেই থাকবেন। সেই প্রত্যাশাই আমি সফিক বিদায় নিলাম। গুড বাই। 

 

Related posts

Leave a Comment